Author: adminfas adminfasadminfas

  • বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া পূর্ব গৌরিপুর ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

    বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া পূর্ব গৌরিপুর ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

    মো: ছালাউদ্দীন (বালাগঞ্জ প্রতিনিধি):- বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া বালাগঞ্জ উপজেলাধীন পূর্ব গৌরিপুর ইউনিয়ন ও ইউনিয়নের আওতাধীন আঞ্চলিক শাখার ২০২৪-২৫সেশনের অভিষেক ২৩নভেম্বর-শনিবার, সকাল ১০ঘটিকায় মুসলিমাবাদ ইসলামিয়া হাফিজিয়া আলিম মাদরাসা হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

    শাখা সভাপতি হাসান আহমেদ চৌধুরী মুসলেহর সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক জসিম বেগ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সিলেট পশ্চিম জেলার সভাপতি শেখ রেদওয়ান হোসেন হেলাল।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট পশ্চিম জেলার সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সাজু, বালাগঞ্জ উপজেলা লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির সহ সভাপতি মাওলানা কুহিনুর উদ্দীন চৌধুরী । প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বালাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মারুফ আলম মিজু।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বালাগঞ্জ উপজেলার সহ অফিস সম্পাদক হাফিজ জুবেল আহমেদ। পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন শাখা ও ইউনিয়ন এর আওতাধীন সকল আঞ্চলিক শাখাসমূহের দ্বায়িত্বশীল বৃন্দ।

    নবনির্বাচিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের বালাগঞ্জ উপজেলার সহ অফিস সম্পাদক জুবেল আহমেদ।

  • গলাচিপায় অর্থনৈতিক শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    গলাচিপায় অর্থনৈতিক শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    মিঠুন পাল,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ গলাচিপা অর্থনৈতিক শুমারি উপলক্ষে উপজেলা ও পৌরসভা শুমারি স্থায়ী কমিটির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    গলাচিপায় অর্থনৈতিক শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা
    গলাচিপায় অর্থনৈতিক শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সভাপতিতে সভায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক বাস্তবায়িত অর্থনৈকিতক শুমারি ২০২৪ এর মাঠ পর্যায়ে মূল তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে উপজেলা শুমারি সংক্রান্ত সার্বিক দিক নিয়ে অবহিত করেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মো: মাসুদ।

    তিনি জানান, গলাচিপায় আগামী ১০ডিসেম্বর থেকে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে। তথ্য সংগ্রহ চলবে ২৬ডিসেম্বর পর্যন্ত। জোনাল আফিসার ৫ জন আইটিসুপারভাইজার ৫জন সুপারভাইজার ৩৭ জন
    তথ্য সংগ্রকারী ১৮৭ জন। চতুর্থ এই অর্থনৈতিক শুমারী সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে পরিচালিত হবে। এতে সারাদেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন খানা(পরিবার) এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি অফিসার, সমাজসেবা অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, যুব উন্নয়ন অফিসার, প্রেসক্লাব সভাপতি মু খালিদ হোসেন মিলটন, চরকাজল , গোলখালী ও বকুলবাড়িয়ার ইউপি চেয়ারম্যান, গলাচিপা সরকারি কলেজের প্রতিনিধি,মহিলা কলেজর প্রতিনিধি সরকারি মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও গণমাধ্যম কর্মী মিঠুন চন্দ্র পাল প্রমূখ।

    সভায় জানানো হয়, এবারের শুমারিতে আসছে বেশ কিছু নতুনত্ব। প্রথমবারের মতো গণনায় যুক্ত হবে প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি থেকে পরিচালিত অনলাইন ব্যবসা। এর সুবাদে ডিজিটাল অর্থনীতির সঠিক আকার জানা সম্ভব হবে। সভায় আরো জানানো হয়, ১০ বছর পর আবারও অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করা হবে। এজন্য জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৪ দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

  • ব্যর্থ প্রেম বিষয়ক উপদেষ্টা; মুখ খুললেন বাপ্পারাজ

    ব্যর্থ প্রেম বিষয়ক উপদেষ্টা; মুখ খুললেন বাপ্পারাজ

    এডি পিনব (নিউজ ডেস্ক):- ঢাকাইয়া সিনেমার এক সময়ের ব্যস্ততম অভিনেতা ছিলেন নায়ক রাজ রাজ্জাকের বড় ছেলে বাপ্পারাজ, ব্যর্থ প্রেমিকের চরিত্রে তার খ্যাতি এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সম্প্রতি ফারুকি উপদেষ্টা বিতর্কে বাপ্পারাজের অনেক ভক্তরা তাকে ব্যর্থ প্রেম বিষয়ক উপদেষ্টা হওয়ার ট্রলে এবার মুখ খুললেন বাপ্পারাজ নিজে। তার পোস্টে নির্মাতা সাফি উদ্দিন সাফি লিখেছেন যে সফল প্রেমের অনেক ছবি আছে আপনার তাই জোর দাবি জানাচ্ছি আপনাকে প্রেমবিষয়ক উপদেষ্টা করার। এছাড়াও তাকে ব্যর্থ প্রেম বিষয়ক বিভিন্ন উক্তি উল্লেখ করেছেন ভক্তরা।

    নিজের কাজ স্বম্পর্কে বাপ্পারাজ আরো জানান যে একই ধাচের চরিত্রের বাহিরে এসে কাজ করতে চান তিনি নতুন চরিত্রের সাথে বয়সের তারতম্য বজায় রাখে চরিত্র বেঁচে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য তিনি ছবির পাশাপাশি অনেক নাটকো পরিচালনা করেছেন নিজে।

  • বিএমএসএস ভাইস-চেয়ারম্যান ও কালের কন্ঠের সাংবাদিক মোঃ রোকনুজ্জামান টিপুকে হত্যার হুমকি :তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

    বিএমএসএস ভাইস-চেয়ারম্যান ও কালের কন্ঠের সাংবাদিক মোঃ রোকনুজ্জামান টিপুকে হত্যার হুমকি :তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

    তালা (সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার তালা উপজেলা প্রতিনিধি এবং তালা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রোকনুজ্জামান টিপু বৃহস্পতিবার দুপুরে খাদ্য সরবরাহের নানা অনিয়ম দুর্নীতি তথ‍্য অনুসন্ধানে গেলে খাদ‍্য সরবরাহকারী ঠিকাদার ও অর্ধশতাধিক মামলার আসামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসর জাতীয় পার্টির তালা উপজেলা সভাপতি নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকির দেয়।এঘটনায় কালের কণ্ঠের তালা উপজেলা প্রতিনিধি তালা থানায় ঠিকাদার নজরুলের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়রি করেছে ।

    মামলা জটিলতাল কারনে দীর্ঘ ১০ বছর টেন্ডার বন্ধ রেখে  খাদ্য সরবরাহের নানা অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ কালে ঠিকাদার নজরুল কালের কণ্ঠের তালা উপজেলা প্রতিনিধিকে এই হুমকি দেয়।

    হুমকির প্রতিবাদে ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায়  তালা প্রেসক্লাব হল রুমে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের আহবায়ক এম এ হাকিমের সভাপতিত্বে , যুগ্ম আহবায়ক এম এ ফয়সাল, গাজী জাহিদুর রহমান, সদস‍্য সচিব সেলিম হায়দার, শফিকুল ইসলাম, কাজী আরিফুল হক ভুলু, সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, খলিলুর রহমান লিথু, মো জাহাঙ্গীর হোসেন, জি এম খলিলুল রহমান, আসাদুজ্জামান রাজু, তাজমুল ইসলাম, আজমল হোসেন জুয়েল, এস এম নাহিদ হাসান, মোতাহিরুল হক শাহিন, মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, কে এম শাহিনুর রহমান, সুমন রায় গণেশ,বি,এম,এস,এস এর তালা উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি মীর ইমরান মাহমুদ , সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন,সিনিয়র সদস্য শেখ মগফুর রহমান ঝান্টু,
    মোঃ ইব্রাহিম মোল্লা, মোঃ মতিয়ার রহমান,   উপস্থিত ছিলেন। এসময় হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তালা প্রেস ক্লাবের আহবায়ক ও বি,এম,এস,এস,এ প্রধান উপদেষ্টা এম এ হাকিম বলেন, নজরুল যখন সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলো তখন সে নারীদেরকেও বেদম প্রহর করেছে। সে শান্ত তালা উপজেলা কে অশান্ত করে তোলার পায়তারা করছেন। নজরুল একজন মামলাবাজ নিজেও অর্ধশত মামলার আসামি।আমাদের মনে হয় তাকে মানষিক চিকিৎসা দেওয়া উচিৎ। এসময় তিনি আরো বলেন, এর পরে আর যদি প্রেসক্লাব ও বি,এম,এস,এস,এর আর একজন কেউ যদি হুমকি দেওয়া হয় তাহলে তার সমুচিত জবাব দেওয়ার জন‍্য প্রেসক্লাব ও বি,এম,এস,এস,এর সকল সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ ।

  • খুলনা ব্লাড ফাইটার্সের সহযোগিতায় ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

    খুলনা ব্লাড ফাইটার্সের সহযোগিতায় ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

    স্টাফ রিপোর্টার : ′′আমাদের অঙ্গিকার, রক্তের অভাবে মারা যাবেনা কেউ আর′′ এই স্লোগান কে বাস্তবে রুপ দিতে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে খুলনা ব্লাড ফাইটার্স।

    তারই গত ধারাবাহিকতায় ১৩ নভেম্বর বুধবার আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ এর আয়োজনে ও খুলনা ব্লাড ফাইটার্স এর সার্বিক সহযোগিতায় অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্নয় কর্মসূচি পালিত হয়।

    উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আকিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট এর উপাধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, খুলনা ব্লাড ফাইটার্স এর সভাপতি নাজিম সরদার, সাধারন সম্পাদক শাহীন মোল্লা,ব্লাড ক্যাম্পেইন বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন এবং উক্ত প্রোগ্রামটি বাস্তবায়নকারী খুলনা ব্লাড ফাইটার্স এর চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান সহ আরো অসংখ্য সেচ্ছাসেবীবৃন্দ।

    সকাল ৯ টা থেকে শুরু করে দুপুর ১ টা প্রর্যন্ত এই কার্যক্রম টি চলমান থাকে। প্রোগ্রাম শেষে অত্র প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন,এই রকম মানবিক কার্যক্রমে সে অনেক খুশি। পরবর্তীতে যেকোনো ধরনের মানবিক কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

    প্রতিষ্ঠাতা মোঃ হাসিব ভুঁইয়া বলেন,এমন সব মানবিক কাজ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে।সকলের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে আগামীতে খুলনা ব্লাড ফাইটার্স অনেক দুর এগিয়ে যাবে মানবতার পথে।

  • মওলানা ভাসানীর ৪৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মাভাবিপ্রবিতে দুই উপদেষ্টা

    মওলানা ভাসানীর ৪৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মাভাবিপ্রবিতে দুই উপদেষ্টা

    হৃদয় হাসান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমলাতন্ত্র সব সময় জনগণ থেকে একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলতো। আমরা মনে করি যে তারা জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই সেবাটা যেন তারা জনগনকে দেন এবং জনগনের পাশে দাড়িয়ে সেটা দেন। প্রভুমূলক বা প্রভুত্ত্যমূলক জায়গায় না থেকে দূরত্বটা যেন কমিয়ে আনা যায়। মাঠ প্রশাসন সরকারে সাথে জনগনের, তার জন্য আমরা আরও প্রলিসিলেভেলে কাজ করবো। সামনে যেন এই দূরত্বটা কমে আসে এই অভিযোগগুলো যাতে না থাকে তথ্যের ঘাটতি কিংবা তাকে পাওয়া যায় না এই অভিযোগ সামনের দিনে না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করবো। আজ বুধবার বিকালে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে “মওলানা ভাসানী ও নতুন বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের পূর্বে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা আসার পর দেখলাম- যে কয়টা স্টেডিয়াম আছে এগুলোরই যথার্থ সংস্কার কিংবা যথার্থ ব্যবহার যোগ্যতা নাই। সে জায়গা থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবহারে যোগ্য গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে বিসিবি আমাদের একটি তালিকা দিয়েছে। সারা দেশে ৯ টা স্টেডিয়াম আন্তজার্তিক পর্যায়ের, যেগুলোতে কখনো কখনো আন্তজার্তিক খেলা হতো। কয়েকটা আছে যে ২৬ বছর আগে খেলা হয়েছে তারপর আর ব্যবহার করা হয়নি। সেগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবহার যোগ্য করা।একই সাথে আমরা বাফুফেকে নির্দশনা দিয়েছি আপনারাও একটি তালিকা দেন ফুটবল স্টেডিয়ামকে কোনগুলো রিভাইভ করতে পারি। খেলার উপযুক্ত করতে পারি। আপনারা জানেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলো বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো পূর্ণগঠন চলছে। আমরা বলেছি- জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে একদম প্রান্তিক পর্যায়ে খেলাধুলাকে পৌছে দেয়া। আবার আগের টুর্নামেন্ট যেন আবার পরিচালিত হয় এবং তরুণরা-যুবকরা যাতে এর মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারে। আপনারও জানেন যে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে একটা ইউস ফ্যাস্টিব্যাল করতে যাচ্ছি। বিবিএএল খেলার যে সময়টা কেন্দ্র করে শুধু স্টেডিয়ামে না স্টেডিয়ামের বাইরেও সারাদেশে ইউস ফ্যস্টিব্যাল করার একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে এবং সকল যুবক-তরুনদেরকে একসাথে সংযুক্ত হওয়ার আহবান থাকবে।

    মওলানা ভাসানী পাঠ চক্রের আয়োজনে জাতীয় নাগরিক কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    এর আগে দুই উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন। পরে ভাসানীর গড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় যোগ দেন।

    মাজার জিয়ারত শেষে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, জনগনের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। জনগণের পক্ষের এবং এই দীর্ঘ লড়াইয়ের যারা স্বপক্ষে আছে তাদেরকে নিয়েই আমাদের এই সরকার গঠন করার পরিকল্পনা এবং সরকার ঐভাবেই চলমান আছে।

    নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে- যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পক্ষেই থাকবেন।  আপনারা এই সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারেন। এই সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন এবং যারা নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন তারাও এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্যে সামিল হবেন। কোন রকম সংশয়, সন্দেহ থাকলে আমরা মনে করি এটা কাজের মাধ্যমে প্রমান করা হবে যে তারা জনগনের পক্ষে আছেন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি, ভাবুক ও রাষ্ট্র চিন্তক ফরহাদ মজহার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মো: আনোয়ারুল আলম আখন্দ, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল,  ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • পানি ফল চাষে শুভদিন কৃষকের মুখে হাসি।

    পানি ফল চাষে শুভদিন কৃষকের মুখে হাসি।

    মিল্টন কবীর কলারোয়া সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বৃদ্ধি পেয়েছে মৌসুমি পানিফল (স্থানীয় ভাষায় ‘পানি সিঙ্গারা’ নামে পরিচিত) চাষে। এরই মধ্যে লাভজনক এই ফল চাষ করে পরিবারের সুদিন ফিরেছে অনেক প্রান্তিক চাষির। উপজেলার জলাবদ্ধ পতিত জমিতে এখন শোভা পাচ্ছে পানিফলের গাছ।

    প্রতিদিন ভোরে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা যাত্রীবাহি বাস, ভ্যানগাড়ি, ইজিবাইকের মাধ্যমে বস্তায় ভরে এই পানিফল বিক্রির জন্য নিচ্ছেন জেলা সদর, যশোর, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন বাজার গুলিতে। নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ট্রাক যোগে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামে। এছাড়া কলারোয়া পৌরসদরের মুরারীকটি থেকে যুগিবাড়ী পর্যন্ত সাতক্ষীরা-ঢাকা মাহাসড়কের দুইপাশে সারিবদ্ধভাবে পানিফল বিক্রি করছে স্থানীয় কৃষকরা।

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভ্রাংশ শেখর দাস বলেন, পানিফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। উপজেলায় চলতি বছর প্রায় ৩৮ হেক্টর পতিত জমিতে পানিফল চাষ হয়েছে। পানিফলের পুষ্টিরমান অনেক বেশি। কলারোয়া উপজেলার পতিত জমিতে এই পানিফলের চাষ ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মুলত কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছে এখানকার কৃষকেরা। প্রতিবছর বোরো ধান কাটার পর, জলাবদ্ধ পতিত জমি, পানি জমে থাকা ডোবাসহ খাল-বিলে এই ফলের লতা রোপণ করা হয় (জমে থাকা পানিতে)। তিনি বলেন, তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যে গাছে ফল আসে। এ ফল চাষে সার-কীটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না।

    খোঁজনিয়ে জানাগেছে, বর্তমানে বাজারে পাইকারি ভাবে প্রতি কেজি পানিফল প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩০/৪০ টাকা দরে। এদিকে ডোবা আর বদ্ধ জলাশয়, পতিত জমিতে পানিফল চাষ করে পরিবারের সুদিন ফিরেছে উপজেলার দুই শতাধিক হতদরিদ্র কৃষকের। এদিকে, স্থানীয় পানিফল চাষি কৃষকরা জানান, কলারোয়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে পানিফল চাষ শুরু হয়। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিনে দিনে এই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন দরিদ্র প্রান্তিক কৃষকরা। কৃষকদের দাবি, কলারোয়ায় পানিফল চাষে সফলতা পাওয়ায় দেশের অন্যান্য উপজেলার চাষিরা অনুপ্রাণিত হয়ে এমনকি অনেকে সরজমিনে এসে চাষাবাদ পদ্ধতি শিখে তাদের পতিত জমিতে চাষ শুরু করছেন।

    পৌরসদরের মুরারীকাটি গ্রামের চাষী পানি ফল চাষী আজিবর গাজাী দৈনিক দিনকালকে জানান, অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে পানি ফলের চাষ। সুস্বাদু এ ফলটি জলাবদ্ধ এলাকায় পতিত জমিতে খুব সহজেই চাষ করা যায়। এছাড়া অল্প খরচ করে উৎপাদন বেশি ও লাভজনক হওয়ায় পানি ফলের চাষে ঝুঁকছে এখানকার চাষীরা। তিনি বলেন, ফলটি বাজারে তৈরি সিঙ্গারার মতো দেখতে হওয়ায় স্থানীয় ভাষায় ‘পানি সিঙ্গারা’ নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।

    পানিফল চাষী তৌহিদুর রহমানসহ কয়েক কৃষক বলেন, ১৪ বছর ধরে কলারোয়া পৌর সদরের গোপিনাথপুরে পতিত ও জলাবদ্ধ জমিতে পানিফল চাষ করে আসছেন। পানি ফলে সার কীটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না। অন্যান্য ফসলের থেকে এর পরিচর্যাও কম। এছাড়া অল্প খরচে লাভ অনেক বেশী। খেতেও সুস্বাদু।

    কৃষক ওসমান গানি বলেন, এবছর তাঁর ৬বিঘা জমিতে পানিফল চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার টাকা। এরইমধ্যে পানি ফল বিক্রি হয়েছে ১লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এখনও জমিতে ফল রয়েছে, আশা করছি এবার ৬বিঘা জমিতে প্রায় ১লাখ ৭০ হাজার টাকার ফল বিক্রয় হবে। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য ফসলের থেকে পানিফল চাষে দ্বিগুণ লাভ হচ্ছে। ফলে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে এই ফল চাষে আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    কলারোয়া যুগিবাড়ী গ্রামের কৃষক আজিজুল ইসলাম জানান, মুরারীকাটি পতিত জমিতে ৪ বিঘা পানিফল চাষ করেছেন , বর্তমানে ফল তুলে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, গত মৌসুমে খরচ বাদে পানিফল চাষ করে ৯৫ হাজার টাকা লাভ করেছি। এবার ফলন ও বাজারমূল্য দুটোয় ভালো। তাই গতবারের চেয়ে বেশি লাভের আশা করছি।

    এদিকে পানিফল চাষী আবুল হোসে, কাদের, শিল্পি খাতুন, কবিরুল ইসলাম, আকরম আলীসহ অধিকাংশ কৃষকরা জানান, সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে ঋণ সহায়তা পেলে আরো অনেক প্রান্তিক কৃষকরা পানিফল চাষের সুযোগ পাবে। ফলে একদিকে নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হতে পারবে ঠিক তেমনই গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অবদান রাখা সম্ভব হবে এমনটাই দাবি করেন এসব কৃষকেরা।

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভ্রাংশ শেখর দাস দৈনিক দিনকালকে জানান, বর্তমানে পানিফল কৃষিতে নতুন এক সম্ভাবনাময় ফসল। আমাদের কৃষি বিভাগ সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে পানিফল চাষের বিস্তার ঘটাতে। যে কোন পতিত পুকুর, ডোবা অথবা জলাশয়ে পানিফল চাষ করা সম্ভব। তুলনামূলক এর উৎপাদন খরচ কম। তিনি বলেন, চলিত বছর প্রায় ৩৮ হেক্টর জমিতে পানিফল চাষ করা হয়েছে। যা আগামী বছর বৃদ্ধি পেয়ে আরো বেশি জমিতে চাষ হবে বলে তিনি মনে করেন।

  • এইচ পি মিউজক থেকে প্রকাশ পাচ্ছে পাগলা সোহাগের জিন্দা লাশ

    এইচ পি মিউজক থেকে প্রকাশ পাচ্ছে পাগলা সোহাগের জিন্দা লাশ

    নিউজ ডেস্ক:- এইচ পি মিউজক স্টেশন হাউজের ব্যানারে ১৪ ই নভেম্বর ২০২৪ এ মুক্তি পেতে যাচ্ছে ইউটিউব ভাইরাল উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী পাগলা সোহাগের কন্ঠে ফোক বিচ্ছেদী গান জিন্দা লাশ শিরোনামের। জিন্দা লাশ শিরোনামের গানটির কথা মালায় ছিলেন উদীয়মান গীতিকার এডি পিনব। সংগীত আয়োজনে ছিলেন ঢাকাইয়া জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক এস রুহুল। ভিন্ন ধর্মী একটি ফোক গানের নতুন কিছু হবে বলে জানা গেছে।

    এই ক্যাটাগরির নিউজ পড়ুন

    গানটি নিয়ে আমাদের নিজেস্ব সাংবাদিকের বয়ানে এইচ পি স্টেশন এম ডি জনাব এইচ পি হৃদয় জানান যে আমি সব সময় ভাল কিছু করার চেষ্টা করে থাকি গান গাওয়ার পাশাপাশি নিজের প্রোডাকশনে অন্যান্য শিল্পীদের গান নিচ্ছি আমার ইউটিউব চ্যানালের জন্য তারি ধারাবাহিকতায় আগামী বৃহস্পতিবার শ্রোতাদের উপহার দিতে যাচ্ছি জিন্দা লাশ গানটি আপাতত গানটি লিরিকাল ভিডিও আকারে প্রকাশিত হচ্ছে তবে দর্শক শ্রোতাদের আগ্রহের উপর আগামীতে ভিডিও আকারে গানটি করার চিন্তা ভাবনা রাখবো ধন্যবাদ।

  • মাদক ও অপরাধ নির্মূলে গ্রামবাসীর বৈঠক

    মাদক ও অপরাধ নির্মূলে গ্রামবাসীর বৈঠক

    স্থানীয়ভাবে মাদক ও অপরাধ নির্মূলে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ এলাকার মোল্লাগ্রামে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাত ৮টার দিকে গ্রামের পুরাতন জামে মসজিদের বারান্দায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    গ্রামের প্রবীণ মুরব্বি ইসকন্দর আলীর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আব্দুল খালিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধ চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন- আতিকুর রহমান আতাই, হেতিমগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমদ সেলিম, হেতিমগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন আনা, গিয়াস মিয়া, ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান, ৩নং ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ৪নংওয়ার্ড সদস্য মুজিবুর রহমান দুলাল, এম. মামুনুর রশিদ মামুন, সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ রনি, শামীম আহমদ শাহিন, মিজানুর রহমান ও রফিক আহমদ।

    বক্তারা বলেন, গ্রামে সম্প্রতি দুই দফা চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রথম দফায় একরাতে চার বাড়িতে ঢুকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে চোরেরা। এর একদিন পরই ফের চুরির ঘটনায় ৩টি গরু হারান আব্দুল জলিল জলু। এছাড়া, গভীর রাতে গ্রামের ভিতর বহিরাগতদের গমনাগমন ও মাদকদ্রব্য সেবন-বিক্রির বিষয়টি ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে। গ্রামটি বাজার কেন্দ্রিক হওয়াতে অপরাধীরা সহজে যেকোনো অপরাধ করে গ্রামের ভিতর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া, গ্রামের বুক চিরে প্রবাহিত সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কেও কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে এর জন্যও গ্রামের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ লক্ষ্যে বাজারের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোকে নিয়ে আগামীকাল সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে হেতিমগঞ্জ বাজারের সুরমা ডেকোরেটার্সের সামনে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। ওই বৈঠকে সবাইকে উপস্থিত থাকার আহ্বানও জানান বক্তারা।

    বৈঠকের শেষাংশে মাদক ও অপরাধ নির্মূলে করণীয় ঠিক করা হয়। গ্রামের তিনটি সড়কে স্বেচ্ছাসেবী টহলটিম জোরদার করা হয়। অপরাধীদের অনতিবিলম্বে ভালো হওয়ার সুযোগ, অন্যথায় পুলিশে সোপর্দের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাত ১০টার পর থেকে গ্রামের ভিতরে বহিরাগত কাউকে দেখা গেলে তার পরিচয় ও গন্তব্যস্থল জানার চেষ্টা করা এবং গন্তব্যস্থলের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে যোগাযোগ করে আগমনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সন্দেহভাজন কাউকে পেলে সাথে সাথে ইউপি সদস্যকে অবগত করা বাধ্যতামূলক করে বৈঠকটি সম্পন্ন করা হয়।

    এসময় মোল্লাগ্রামের প্রবীণ মুরব্বি ছালেক আহমদ, চুনু মিয়া, আব্দুল হাই শিফা, শাহাব উদ্দিন, বিরাই মিয়া, আব্দুস সামাদ, আতিকুর রহমান, এনাম উদ্দিন, কবির আহমদ, হাফিজ সাহেদ আহমদ, ফারুক আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম, আজাদ আহমদ-সহ গ্রামের প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

  • গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিশাল জনসভা

    গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিশাল জনসভা

    মিঠুন পাল,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে গলাচিপা উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় গলাচিপা পৌর শহরের হাইস্কুল খেলার মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মামুন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসান মামুন বলেন, দীর্ঘ সতেরো বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বৈরচারী কার্যক্রম থেকে ছাত্র জনতার আন্দোলনে শত শত তাজা প্রাণ ও রক্তের বিনিময়ে একটি স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। তাই এই স্বাধীনতা রক্ষায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ধৈর্যের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে জনসাধারণের পাশে থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত কাজ করতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী দল থেকে যাকে মনোনয়ন দিবেন বিএনপির নেতাকর্মীরা সার্বিকভাবে তাকে সহযোগিতা করবে। এসময় তিনি বলেন, দল থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে পটুয়াখালী -৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণকে সাথে নিয়ে গলাচিপা-দশমিনা উপজেলাকে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক উপজেলা উপহার দিতে কাজ করবেন। এসময় সর্বস্তরের জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    জনসভায় সভাপতিত্ব করেন গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. সিদ্দিকুর রহমান। সভা পরিচালনা করেন, গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সত্তার হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সহ সভাপতি খন্দকার মিজানুর রহমান, আব্দুস সালাম মৃধা, বাবু পঙ্কজ দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহাবুব ফরাজি, সৈয়দ আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্যাদা ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন খান।

    এছাড়াও জনসভায় বক্তব্য রাখেন, গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদ আলম তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার মশিউর রহমান শাহীন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. মাসুম বিল্লাহ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান সবুজ ও শহিদুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এম দূর্জয় রুবেল, দশমিনা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শানু প্রমুখ।

    এর আগে দুপুর থেকে সমাবেশ স্থলে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। দুপুরের পর ৩ টায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা